আমাদের কার্যক্রম
আমাদের কার্যক্রম
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশনের প্রকল্পসমূহ এক নজরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশনের প্রকল্পের স্থির চার্ট
১। পরামর্শ প্রদানঃ যে কোনো ব্যক্তি আইন সংক্রান্ত সমস্যার জন্য ব্লাস্ট অফিসে আসলে তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রে দরখাস্তকারীর আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না। এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
২। সালিশ আয়োজনঃ আবেদনকারীর আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশের মাধ্যমে ধার্য্য তারিখে প্রতিপক্ষকে উপস্থিত হতে বলা হয়। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে সালিশের চেষ্টা করা হয়। পর পর তিনটি নোটিশ পাওয়ার পরেও প্রতিপক্ষ সালিশে উপস্থিত না হলে বা সালিশ বৈঠকে মীমাংসা না হলে প্যানেল আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। সালিশের ক্ষেত্রে দরখাস্তকারীর আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না। এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
৩। মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনাঃ সালিশ বৈঠকে মীমাংসা সম্ভব না হলে বা যদি দেখা যায় যে, আবেদনকারী ইতোপূর্বে স্থানীয় ভাবে সালিশের চেষ্টা করেছিলো কিন্তু সফল হয় নাই সেক্ষেত্রে আবেদনকারীর আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনা করে তার পক্ষে সরাসরি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। এক্ষেত্রে, মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন বহন করে। তবে, বন আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র আইন, এসিড অপরাধ নিয়ন্ত্রণ আইন, যৌতুক নিরোধ আইনের ১ নং আসামী এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে কোনো আসামীর পক্ষে ব্লাস্ট মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনা করে না। কিন্তু, আদিবাসীদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য।
৪। মানবাধিকার সম্পর্কিত আইন সচেতনতা সভা আয়োজনঃ ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন তার সহযোগী সংস্থা গুলোর কর্ম এলাকায় গিয়ে আইন সচেতনতা সভা আয়োজন করে। একজন মহিলা আইনজীবী উক্ত সভায় তাদের বিভিন্ন আইন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। প্রতিটি সভায় ৩০/৪০ জন মহিলা উপস্থিত থাকেন । প্রতি বছর ৪০ টি সভা আয়োজন করা হয়।
৫। তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধানঃ প্রত্যেক জেলার মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত ঘটনা পরিদর্শন ও তথ্যানুসন্ধানের জন্য ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি ন্যায় বিচার ফোরাম রয়েছে। সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী, জন প্রতিনিধি, শিক্ষক, ডাক্তার, এনজিও প্রতিনিধি এবং ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধানের বিষয়গুলো হলো-
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক দুর্ব্যবহার/নির্যাতন/হত্যার অভিযোগ
বস্তি উচ্ছেদ, রাজনৈতিক হত্যা, জেল বা পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার লঙ্ঘন
নারী ও শিশু অধিকার লঙ্ঘন
শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন
আদিবাসী, প্রতিবন্ধী এবং দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার লঙ্ঘন
জাতিগত, ধর্মীয়, ভাষা ও যৌন ভিত্তিক সংখ্যালঘু নির্যাতন
পারিবারিক সহিংসতা
যৌন হয়রানী
যে কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক ঘটনা
আদালতের নির্দেশে প্রদত্ত যে কোনো বিষয়
মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত অন্যান্য বিষয় ইত্যাদি।
৬। সভা আয়োজনঃ ৬.১। এডভোকেসী সভা আয়োজন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিট সরকারী আইনগত সহায়তা কমিটি- এর সহায়তা প্রদানের বিষয়টি সম্পর্কে জনসচেনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে জেলা এবং উপজেলা পর্যায় ‘এডভোকেসী সভা’ আয়োজন করে থাকে।
৬.২। অধিকার সচেতনতা সভা আয়োজনঃ সাধারন মানুষকে তাদের অধিকার ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় আইনসমূহ সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য ‘অধিকার সচেতনতা সভা’ আয়োজন করা হয়।
৬.৩। ইস্যু রেইজিং সভা আয়োজনঃ কোনো নির্দিষ্ট এলাকার সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সেই লক্ষ্যে ঐ এলাকায় কাজ করার জন্য সে বিষয়ের সঙ্গে স্থানীয় জনগনকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ইস্যু রেইজিং সভা আয়োজন করা হয়।
৬.৪। বিজ্ঞ বিচারকগনের সমন্বয় সভা আয়োজনঃ ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা আদালতগুলোতে বিজ্ঞ বিচারকগনের সঙ্গে সমন্বয় সভা আয়োজন করে থাকে।
৬.৫। নেটওয়ার্কিং সভা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন তার কার্যক্রম সফল করার উদ্দেশ্যে এবং পারস্পরিক সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগনকে নিয়ে নেটওয়ার্কিং সভা আয়োজন করে। মূলতঃ যে প্রতিষ্ঠানগুলো মাঠ পর্যায় কাজ করে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন তাদের মাধ্যমে উপকারভোগীর আগমন নিশ্চিত করে। এর পাশাপাশি, আইন সহায়তা ছাড়াও অনেক উপকারভোগীর বিভিন্ন ধরনের সেবা যেমন, ফোউজদারী মামলা করার জন্য থানায় যোগাযোগ, চিকিৎসা সেবা গ্রহণ, স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ এসবের প্রয়োজন হয়। নেটওয়ার্কিং সভা আয়োজনের মাধ্যমে
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন উপকারভোগীদের এই সেবা প্রাপ্তির বিষয়গুলো নিশ্চিত করে।
৬.৬। উপকারভোগীগনের সঙ্গে মত বিনিময় সভা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন এর উপকারভোগীগন সেবা গ্রহণের পর কেমন আছেন অথবা বর্তমানে সেবা গ্রহণকালীন সময়ে কোনো সমস্যা অনুভব করছেন কিনা তা জানার জন্য মত বিনিময় সভা আয়োজন করে থাকে।
৬.৭। প্যানেল আইনজীবীগনের সঙ্গে মত বিনিময় সভা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন এর মামলাগুলো মূলতঃ প্যানেল আইনজীবী দ্বারা পরিচালিত হয়। মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে প্যানেল আইনজীবীগনের কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা, মামলার গতি ত্বরান্বিত করার জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন কিনা এসব বিষয় জানার জন্য প্যানেল আইনজীবীগনকে নিয়ে প্রতি বছর দুইটি মত বিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। প্যানেল আইনজীবী সম্পর্কে উপকারভোগীদের কোনো অভিযোগ থাকলে তা উক্ত সভায় প্যানেল আইনজীবীগনকে অবহিত করা হয়।
৬.৮। ‘মউ‘ পার্টনারদের সঙ্গে মত বিনিময় সভা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিট ছয়টি বেসরকারী সংগঠনের সঙ্গে ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ (মউ) সম্পাদন করেছে। এর আওতায় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন উক্ত বেসরকারী সংগঠন গুলোর কর্ম এলাকায় গিয়ে আইন সচেতনতা সভা আয়োজন করে। আয়োজিত সভাগুলো কীভাবে আরো ফলদায়ক করা যায় সে লক্ষ্যে ‘মউ’ পার্টনারদের নিয়ে প্রতি বছর রিভিউ মিটিং আয়োজন করা হয়।
৬.৯। ‘নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে মত বিনিময় সভা আয়োজনঃ বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ৫/৭ সদস্য বিশিষ্ট নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটি’ রয়েছে। কমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য তাদেরকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন মত বিনিময় সভা আয়োজন করে। উক্ত সভায় কমিটির সদস্যগনকে বিভিন্ন আইন সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি সহিংসতার শিকার নারীদের আইন সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশনে প্রেরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
৬.১০। মিডিয়ার সঙ্গে মত বিনিময় সভা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন এর অগ্রগতি কার্যক্রম উপস্থাপন এবং এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহনের জন্য প্রতি বছর জেলা পর্যায়ের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে মত বিনিময় করা হয়।
৭। প্রশিক্ষন আয়োজন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিট ইউনিয়ন পর্যায়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের গ্রাম আদালত ও সালিশ পদ্ধতির উপরে, সম্মানিত বিচারক, বিজ্ঞ প্যানেল আইনজীবী এবং আইন সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাগনকে নিয়ে দেশে প্রবর্তিত নতুন নতুন আইন বিষয়ে (যেমন, শিশু আইন ২০১৩ ও প্রবেশন আধ্যাদেশ ১৯৬০) এবং এনজিও প্রতিনিধিগনের জন্য দেশে প্রচলিত ও বিদ্যমান প্রয়োজনীয় আইনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এছাড়াও, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিট ন্যায় বিচার ফোরামেরর সমম্মানিত সদস্যগনের জন্য প্রতি বছর ‘তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধান এবং মানবাধিকার বিষয়ক’ প্রশিক্ষণ আয়োজন করে থাকে।
৮। আইন সহায়তা মেলা আয়োজনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিটের পক্ষ থেকে প্রতি বছর আইন সহায়তা মেলা আয়োজন করা হয়। উপজেলা বা থানা পর্যায় আয়োজিত এক দিন ব্যাপী এই মেলায় অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোও অংশগ্রহণ করে। মেলায় অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে স্টল দেওয়া হয়। মেলায় আলোচনা সভা আয়োজনের পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ের ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য উপস্থিত বক্তৃতা এবং কলেজ পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী বিষয় ভিত্তিক নাটক উপস্থাপন করে।
৯। মেলায় অংশগ্রহণঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিটের পক্ষ থেকে প্রতি বছর ন্যাশনাল লিগ্যাল এইড ডে মেলা, তথ্য মেলা, আদিবাসী মেলা সহ সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত অন্যান্য মেলায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করা হয়। মেলাগুলোতে স্টল দিয়ে আইন সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
১৫। দিবস উদযাপন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন ইউনিটের পক্ষ থেকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ইয়াসমীন ট্রাজেডী দিবস, তাজরীন ট্রাজেডী দিবস, রানা প্লাজা ট্রাজেডী দিবস আয়োজন ও অংশগ্রহণ করা হয়। এই উপলক্ষে মানব বন্ধন, র্যালী, আলোচনা সভা ইত্যাদি আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি, অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের আমন্ত্রণে আরো বিভিন্ন দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণ করা হয়।
১১। স্কুল, কলেজ, মাদরাসাঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলায় স্কুল, কলেজ, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে একদল তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণ ও দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
১২। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনুদান প্রদানঃ দেশের একাংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন একটি বৃহৎ পরিমান অর্থ অনুদান স্বরূপ প্রদানের মাধমে দরিদে জনগোষ্ঠীর পাশে দারানোর চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক ইউপি চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেটর সহযোগিতা নিয়ে প্রকৃত দরিদ্র ব্যাক্তি চিহ্নিত করতে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন কে সহযোগিতা করে।
১৩। প্রাকৃতিক দূর্যোগে ভুক্তভোগীদের অনুদান প্রদানঃ প্রতিবছর দেশের যেসব এলাকা বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবলে পড়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এডুকেশন ফাউন্ডেশন এর একদল স্বেচ্ছাসেবী ও প্যানেলের সহায়তায় তাদের মধ্যে অনুদান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে আসছে।
১৪। পথশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠাঃ ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এডুকেশন ফাউন্ডেশন দুঃস্থ জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের আইনি সহায়তা নিয়ে পথশিশুদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সদা স্বোচ্চার।